1. ফ্রেম (Frame)
ড্রোনের কাঠামো। এতে বাকি সব যন্ত্রাংশ বসানো হয়। সাধারণত 3D প্রিন্টেড প্লাস্টিক, ফাইবার, বা অ্যালুমিনিয়ামের হয়।
2. মোটর (Brushless Motors)
প্রতি একটা প্রপেলারের জন্য একটা মোটর লাগে। কোয়াডকপ্টারের জন্য ৪টা মোটর লাগে।
3. প্রপেলার (Propellers)
ড্রোনকে আকাশে তুলতে সাহায্য করে। মোটরের সাথে লাগানো থাকে।
4. ইলেকট্রনিক স্পিড কন্ট্রোলার (ESC)
এইটা মোটরের গতি নিয়ন্ত্রণ করে। প্রতিটি মোটরের জন্য একটা ESC দরকার।
5. ফ্লাইট কন্ট্রোলার (Flight Controller)
এটাই ড্রোনের “মগজ” – সব সেন্সর ও কমান্ড এখান থেকে নিয়ন্ত্রণ হয়।
6. ব্যাটারি (Battery)
লিথিয়াম পলিমার (Li-Po) ব্যাটারি বেশি ব্যবহার হয়। ভোল্টেজ ও ক্যাপাসিটি ড্রোনের ওজন ও মোটরের ওপর নির্ভর করে।
7. রিমোট কন্ট্রোলার ও রিসিভার (Transmitter & Receiver)
আপনি যাতে দূর থেকে ড্রোন নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। ট্রান্সমিটার আপনার হাতে থাকে, আর রিসিভার ড্রোনে থাকে।
8. জিপিএস মডিউল (GPS Module) (ঐচ্ছিক)
স্বয়ংক্রিয়ভাবে পথ নির্ধারণ বা ঘরে ফিরে আসার মতো ফিচারের জন্য।
9. ক্যামেরা ও ভিডিও ট্রান্সমিটার (FPV Camera & VTX) (ঐচ্ছিক)
লাইভ ভিডিও দেখতে হলে লাগে। রেসিং বা ফটোগ্রাফি ড্রোনে দরকার হয়।
10. পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ড (PDB)
ব্যাটারির পাওয়ার বিভিন্ন অংশে ভাগ করে দেয়।
11. বিভিন্ন সেন্সর (Gyroscope, Accelerometer, Barometer, etc.)
ড্রোনের স্থিতিশীলতা ও উড়ন্ত অবস্থার তথ্য দেয়।
অতিরিক্ত দরকারি জিনিস:
স্ক্রু ও নাট-বল্টু
Soldering iron (সোল্ডার করার জন্য)
হিট শ্রিংক টিউব / ইলেকট্রিক টেপ
চার্জার (Li-Po ব্যাটারি চার্জ করার জন্য)
মাল্টিমিটার (ভোল্টেজ চেক করার জন্য)
প্রোপ গার্ড (প্রপেলার সুরক্ষার জন্য)


0 Comments