আদিতমারী থানার মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা নং-০৪,২৩২/১৭
এর দায়বদ্ধতা হইতে অব্যাহতির প্র্রার্থনাঃ
আমি মোঃ মনছুর রহমান (শিক্ষক) পিতা মৃত মুছাতুল্লাহ প্রামানিক,
সাং- মহিষখোচা, থানা- আদিতমারী জেলাঃ লালমনিরহাট ।
(এক)
আমার ছেলে ল্যান্স কর্পোরাল মোঃ
শহিদুল্লাহ আল মাঊন গত ২৬/০৯/২০১৭ইং তারিখের ঘটনায় জড়িত
ছিলনা । সে বগুড়া মাঝিরা
সেনানিবাসে কর্মরত ছিল । ফলে সেনানিবাসের কর্মকর্তা মহোদয় তার প্রত্যায়ন পত্র
প্রদান করিয়াছেন । তিনি প্রত্যায়ন পত্রে উল্লেখ করিয়েছেন যে,
মোঃ শহিদুল্লাহ আল মাঊন পিতা মোঃ
মনছুর রহমান , গত ১০/০৮/২০১৭ ইং হইতে ১২/০৮/২০১৭ ইং তারিখ পর্যন্ত মোট ০৩ ( তিন )
দিনের নৈমিত্তিক ছুটিতে ছিলেন । উক্ত
তারিখের পর কোন প্রকার ছুটি ভোগ করেননি । সেহেতু উক্ত ছেলেটিকে আদিতমারি থানার যোগসাজসিক ভুয়া মামলা
নং- ০৪, ২৩২/১৭ তাং ০২/১০/২০১৭ ইং দায়বদ্ধতা হইতে অব্যহতির জন্য সবিনয় প্রার্থী ।
(দুই)
আমার ভাগিনা মোঃ আব্দুল সালম ,পিতা মৃত মনছুর আলী উক্ত তারিখের ঘটনায়
জড়িত ছিল না । সে ঢাকা নারায়নগঞ্জ ফকির এ্যাপারলেস গার্মেন্টস-এ কর্মরত ছিল । ফলে গার্মেন্টস
কর্তৃপক্ষ সেপ্টেম্বার/২০১৭ মাসের দৈনদিন হাজিরা খাতার কপিসহ অন্যান্য কাগজপত্র প্ররণ
করিয়াছেন । যাহার কপি সংযুক্ত করা হইল ।
(তিন) একাধিক মাদক মামলার
আসামী ও মাদক সম্রাট ০১। ব্লাক ফারুক (৪৮) পিতা মৃত আলতাব হোসেন, সাং- মহিষখোচা ০২।
রশিদ চোর(৫০) পিতা মৃত আবুল হোসেন, সাং দক্ষিণ বালাপাড়া, ০৩। একাব্বর আলী(৬০) পিতা
মৃত রহমত/খামরা, সাং- মহিষখোচা, সর্ব থানা- আদিতমারী, জেলা- লালমনিরহাট গং সহ অত্র
মামলার স্বাক্ষীগণ যোগসাজসিক ভাবে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে পূর্ব শক্রতার জের ধরিয়া তাদের
ভাড়াটিয়া কুচক্রি লোকদের দলবল সহ ষড়যন্ত্র করতঃ আমার দীর্ঘ দিনের শান্তিপ্রিয় অবস্থানকে
বিনষ্ট করার জন্য মামলা নং-০৪, ২৩২/১৭ সৃষ্টি করিয়াছে- ব্লাক ফারুক ও রশিদ চোর । তাদের
অবৈধ ব্যবসার আলামত যথেষ্ট মৌজুত রহিয়াছে ।
(চোর) সেই ব্লাক ফারুক ও
রশিদ চোরের পেশা অনুযায়ী তৃতীয় পক্ষের লোক মোঃ মোজাম্মেল হক, পিতা মোঃ তমেজ উদ্দিন, সাং- মহিষখোচা, থানা- আদিতমারী, জেলা- লালমনিরহাটকে বাদী
করিয়া আমাকে অন্যায় ভাবে উৎখাত করার জন্য আমার লোক জনের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মামলা
নং-০৪, ২৩২/১৭, যাহার ধারা নং- ১৪৩/৪৪২/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৩৫৪/৫০৬/১১৪/৩৪ দঃবিঃ দায়ের
করিয়াছে ব্লাক ফারুক ও রশিদ চোর । অথচ বাদী মোজাম্মেল হক ও তার বংশীয় লোকজনের সাথে
আমার কোন বিবাদ নাই । এটা ব্লাক ফারুক ও রশিদ চোরের অর্থ উপার্জনের দলীয় বৈশিষ্ট্য
।
তাং-০৫/১১/১৩ইং
নিবেদক
মোঃ মনছুর রহমান(শিক্ষক)
জামীনে আসিয়া হাত, পা কেটে দিবে মর্মে হুমকী মূলক ঘোষনার বিরুদ্ধে প্রশাসনের
সর্বত্র অবগতিঃ
আমি মোঃ মনছুর রহমান (শিক্ষক) পিতা মৃত মুছাতুল্লাহ প্রামানিক,
সাং- মহিষখোচা, থানা- আদিতমারী জেলাঃ লালমনিরহাট ।
আমি এই মর্মে প্রশাসনের সর্বত্র অবগতি দিতেছি যে, আসামী
০১। ফারুক হোসেন ওরফে ব্লাক ফারুক (৪৮) পিতা মৃত আলতাব হোসেন, সাং মহিষখোচা, থানা- আদিতমারী, জেলা- লালমনিরহাট গং সহ জামিনে আসিয়া
তার দলিয় লোকদের সাথে ষড়যন্ত্র করতঃ আমার ও আমার লোক জনের হাত, পা কেটে দিবে মর্মে
হুমাকিমূলক ঘোষনা দিচ্ছে । ঘটনার দিন তাং- ২৭/১০/২০১৭ ইং রোজ- শুক্রবার, দুপুর অনুমান
১:৩০ ঘটনার সময় আমার বাড়ির পার্শ্বে অবস্থিত মহিষখোচা ইসলামাবাদ জামে মসজিদের জুমার
নামাজান্তে উপস্থিত লোক জনের সামনে আসামী ব্লাক ফারুক আমাকে সমাজে ন্যাকেট করার জন্য আমার বিরুদ্ধে তার
সাজানো মিথ্যা, ভূয়া ও বানোয়াট মন্তব্য দিয়া আমার ও আমার লোক জনের হাত, পা কেটে দিবে
মর্মে প্রকাশ্য হুমকী প্রদান করে । সে আমার পক্ষে স্বাক্ষী দিতে সবাইকে নিষেধ করে ।
কেউ স্বাক্ষী দিলে তার হাত, পা কেটে দিবে মর্মে মসজিদে উপস্থিত লোক জনের সামনে তার
এই প্রকাশ্য ঘোষনা ।
এইখানে উল্লেখ্য যে, ব্লাক ফারুকের বংশিয় চাচা অর্থ যোগান দাতা ও প্রভাবশালী একাব্বর আলীকে মিথ্যাভাবে
প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে চাঁদাবাজ আঃ কুদ্দুস- বর্তমানে অসুস্ত । সেই ক্ষমতার পালাবদলের
দায়িত্বে এখন ব্লাক ফারুক । চাচা একাব্বর আলীকে অবৈধভাবে জমিতে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য
সে এখন প্রভাবিত।তার চাচা একাব্বর আলী গং এর বিরুদ্ধে বিজ্ঞ জর্জ আদালতের মোকদ্দমা
অন্য ১৪/১৭ (চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা) জারি হইলে আমার পক্ষে জমির রায় পরিস্কার হয়ে যায়-
জজ আদালতের । তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হয়ে তাদের দলবল ও ভাংচুর বাহিনী সহ আসিয়া
আমার পরিবারের ১২ জন নারী ও পুরুষকে হতাহত করে, ডাংমার করে, রক্তাত্ত জখম করে এবং ঘরবাড়ী
ভাংচুর করে এবং কলেজ পড়া মেয়েদের শ্লীলতাহানী করার চেষ্টা করে । ফলে মামলা জি.আর নং
২২৭/১৭, তাং- ২৮/০৯/১৭ইং, ধারা নং-১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩৭৯/৪২৭/৫০৬/১১৪/৩৪ –ধারার
অপরাধে জেলে যায় মাদক সম্রাট ব্লাক ফারুক ও মাদক পেশাদার রশিদ চোর ।
জেলখানা হইতে ব্লাক ফারুক জামিনে আসিয়া ঘাটে, মাঠে, হাটে,
মসজিদ ও এলাকায় এবং বিভিন্ন দোকান খামারে গ্রুপ তৈরী করিয়া উক্ত মামলা উঠাইয়া না নিলে
আমাকে হত্যা করার হুমকী দিচ্ছে সর্বত্র । সেই জন্য বিষয়টি প্রশাসনের সর্বত্র অবগতি
করিলাম ।
তাং- ০২/১১/২০১৭ই
প্রচারে
মোঃ মনছুর রহমান(শিক্ষক)
“আদিতমারী থানাধীনে
মিথ্যা, ও ভূয়া সংবাদ প্রকাশের তিব্র প্রতিবাদ”
গত
০৭ অক্টোবর, ২০১৭ তারিখে “বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম” –এর বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.রংপুর
।
অনলাইন
পত্রিকায় প্রকাশিতঃ প্রতিবেশীর বিবাদ মিটাতে গিয়ে ইউপি সদস্য কারাগারে
ডিস্ট্রিক্ট
করেসপন্ডেন্ট | এবং গত ০৮/১০/১৭ইং তারিখে
“লালমনির কাগজ” মুক্ত চিন্তার সাপ্তহিক
পত্রিকায়
প্রকাশিতঃ দুই পক্ষের বিরোধঃ জেলে গেল ফারুক
কলামে
উল্লেখিত সংবাদ শিরনামে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ন রুপে মিথ্যা, ভূয়া ও যোগসাজসিক । আমি তার তিব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি ।
মূলতঃ
যা সত্য-
(এক)
অর্থ যোগান দাতা
ও প্রভাবশালী একাব্বর আলী পিতা মৃত রহমত/খামড়া ও সন্ত্রাসিদের গডফাদার আঃ কুদ্দুস
( বর্তমানে অসুস্ত) পিতা মৃত সহিদার রহমান এবং মাদক পেশাদার ব্লাক ফারুক পিতা মৃত আলতাব
হোসেন সর্ব সাং মহিষখোচা, সকলের বাড়ী এক সাথে লাগালাগি । বংশিয় সূত্রে একাব্বর
আলী চাচা হন-আঃ কুদ্দুস ও ব্লাক ফারুকের এবং জনৈক রিপোর্টার প্রতিবেশী ভাইয়ের পুত্র
ভাতিজা হন ব্লাক ফারুকের । ফলে মাদক সম্রাট চাচা ব্লাক ফারুককে বাঁচানোর জন্য মিথ্যা
ও ভূয়া রিপোর্ট সাজাইয়া খবরে প্রকাশ করেন রিপোর্টার খোরশেদ আলম সাগর । সহায়তা করেন
ফেন্সিডিল পেশাদার ও মাদক সম্রাটদের । আর শান্তিপূর্ণ অবস্থানকে বিনষ্ট করেন শিক্ষক
মনছুর রহমানের ।
(দুই) ব্লাক ফারুকের বংশিয় চাচা প্রভাবশালী একাব্বর
আলীকে মিথ্যাভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে চাঁদাবাজ আঃ কুদ্দুস- বর্তমানে অসুস্ত । সেই
ক্ষমতার পালাবদলের দায়িত্বে এখন ব্লাক ফারুক । চাচা একাব্বর আলীকে অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠিত
করতে গিয়ে কারাবাসে যায় মাদক সম্রাট ব্লাক ফারুক ও রশিদ চোর ।
(তিন) বিজ্ঞ জর্জ আদালতের মোকদ্দমা অন্য ১৪/১৭ (চিরস্থায়ী
নিষেধাজ্ঞা) একাব্বর আলী গং- এর বিরুদ্ধে দায়ের হইলে বিজ্ঞ জজ আদালত সন্তষ্ট হইয়া গত
১৪/০৬/১৭ইং তারিখে বিবাদী একাব্বর আলী গং- এর টালবাহানার বিরুদ্ধে নালিশী জমিতে যাইতে
সরাসরি নিষেধ করেন- বিজ্ঞ জজ আদালত । বাদী মনছুর রহমানের প্রতি রায় পরিস্কার হয়ে যায়
জজ আদালতের । ফলে ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয় ব্লাক ফারুক ও রশিদ চোর এবং গত ২৯/০৮/১৭ইং
তারিখ ভূয়া দলিল সৃষ্টি করিয়া অন্যায় ভাবে ক্ষমতা প্রয়োগ করে ব্লাক ফারুক ও রশিদ চোর
। অতঃপর গত ২৬/০৯/১৭ইং তারিখ ব্লাক ফারুক ও মাদক সম্রাট রশিদ চোর তাদের দলবল ও ভাংচুর বাহিনী সহ আসিয়া বাদী মনছুর
রহমানের পরিবারের ১২ জন নারী ও পুরুষকে হতাহত করে, ডাংমার করে, রক্তাত্ত জখম করে এবং
ঘরবাড়ী ভাংচুর করে এবং কলেজ পড়া মেয়েদের শ্লীলতাহানী করার চেষ্টা করে ব্লাক ফারুক ও
মাদক পেশাদার রশিদ চোর । সেই কারনে আদিতমারী থানার এজাহার নং- ২৮, মামলা জি.আর নং ২২৭/১৭,
তাং- ২৮/০৯/১৭ইং, ধারা নং- ১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩৭৯/৪২৭/৫০৬/১১৪/৩৪ –ধারার অপরাধে
জেলে যায় মাদক সম্রাট ব্লাক ফারুক ও মাদক পেশাদার রশিদ চোর ।
সত্য প্রকাশ
মোঃ মনছুর রহমান
তাং- ১১/১০/১৭ইং
ইবতেদায়ী শিক্ষক
দক্ষিন বালাপাড়া ফাজিল মাদরাসা
মহিষখোচা, লালমনিরহাট ।
অনুলিপিঃ
০১।
মাননীয় প্রধান মন্ত্রী মহোদয়, গণপ্রজাতন্তী
বাংলাদশ সরকার, প্রধান মন্ত্রী কাযালয়, সচিবালয়,
ঢাকা ।
০২।
মাননীয় সরাষ্ট্র মন্ত্রী মহোদয়, স্বরাষ্ট মন্ত্রানালয়, সচিবালয় ঢাকা ।
০৩।
বিভাগীয় কমিশনার, রংপুর বিভাগ, রংপুর ।
০৪।
ডিআইজি বিভাগীয় কর্মকর্তা, রংপুর বিভাগ, রংপুর ।
০৫।
অধিনায়ক র্যাব-১৩,পানি উন্নয়ন বোর্ড, রংপুর ।
০৬।
পুলিশ সুপার, লালমনিরহাট ।
০৭।
দুর্নীতি দমন কমিশন, লালমনিরহাট ।
০৮।
জেলা কারাগার তত্বাবধায়ক ও পরিচালক, লালমনিরহাট ।
০৯।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আদিতমারী, লালমনিরহাট ।
১০।
অফিসার ইনচার্জ, আদিতমারী থানা, লালমনিরহাট ।
১১।
সভাপতি/সম্পাদক, প্রেস ক্লাব, লালমনিরহাট ।
0 Comments